Contact For add

Thu, Jan 11 2018 - 7:17:19 PM BDT প্রচ্ছদ >> জাতীয়

The country's 60,000 megawatt power generation planদেশে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা

দেশে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা


সংসদ প্রতিবেদক :

নিরাপদ, নিরবিচ্ছিন্ন ও নিভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ¦ালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি আরো জানান, ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। ওই সময়ের মধ্যে ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ ব্রান্ডিং বাস্তবায়ন হবে। শতভাগ বিদ্যুতায়নের লক্ষ নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করছিলেন।
সরকারী দলের সদস্য এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, বিদ্যুৎ উপাদনের মহাপরিকল্পনায় তরল জ্বালানী ভিত্তিক বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৯ শতাংশ হতে ২০৪১ সালে এক শতাংশে নামিয়ে আনার কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুতায়নের জন্য সৌরশক্তি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে গ্যাস, এলএনজি, নবায়ণযোগ্য জ্বালানী এবং নিউক্লিয়ার এনার্জি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এম পি বাহাউদ্দিন নাসিমের এক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে সরকারী বেসরকারী উভয় খাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় ৫ টাকা ৭০ পয়সা, কিন্তু গড় বাল্ক বিক্রয় মূল্য ৪ টাকা ৮৪ পয়সা। সে ক্ষেত্রে এ অসামঞ্জস্যতার জন্য সরকার বিদ্যুৎ খাতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডতে ভর্তূকির পরিবর্তে ৩ শতাংশ সুদে লোন দেয়। ১০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে ৩ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা বাজেটারী সাপোর্ট দেয়া হয়েছে। ট্যারিফ ঘাটতির জন্য ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন  বোর্ডের ৪ হাজার ৬৮৫  কোটি টাকা  লোকসান হয়েছে।
গাজীপুর-৩ আসনের এমপি এ্যডভোকেট  রহমত আলীর এক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন,  বর্তমানে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ- ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানীর অধিভ’ক্ত এলাকায় দৈনিক ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা আছে। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড হতে কম বেশী ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।


চলতি ২০১৮ সালের মধ্যেই গ্যাসের ঘটতি দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সরকারী দলের সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানিয়েছেন, গ্যাসের ঘটতি দূর হলে সার কারখানাসহ সকল খাতে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
একই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ ও আবাসিক ইত্যাদি খাতে গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং তার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় বর্তমানে বেশ কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ৫টি সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে অধিক দক্ষতাসম্পন্ন ৩টি সার কারখানায় সরবরাহ (শাহজালাল, কাফকো ও যমুনা) চালু রয়েছে। গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির প্রচেষ্টার পাশাপাশি গ্যাসের বর্ধিত চাহিদা মেটানোর জন্য এলএমজি আমদানির কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে।

 



Comments