Contact For add

Tue, Nov 7 2017 - 5:00:05 PM BDT প্রচ্ছদ >> শিল্প সাহিত্য

What a joyous feeling! What are these four charactersকিসে এতো আনন্দদায়ক অনুভূতি! কি আছে এই চার অক্ষরের ...

কিসে এতো আনন্দদায়ক অনুভূতি!  কি আছে এই চার অক্ষরের ...

সাগরিকা মন্ডল :

ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি এবং আবেগকেন্দ্রিক একটি অভিজ্ঞতা। বিশেষ কোনো মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। তবুও ভালোবাসাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়। আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয়,বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল মানবীয় অনুভূতি ভাগ করে নেয়া, এমনকি শরীরের ব্যাপারটাও এই ধরনের ভালোবাসা থেকে পৃথক করা যায় না। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে, যে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি অতিরিক্ত স্নেহ প্রায় সময় খুবই আনন্দদায়ক হতে পারে এমনকি কোনো  কাজ কিংবা খাদ্যের প্রতিও। আর এটাই অতি আনন্দদায়ক অনুভূতিই হলো ভালোবাসা।

নিরবে ভিজে যায় চোখের পাতা,কষ্টের আঘাতে বেড়ে যায় বুকের ব্যথা,জানিনা এইভাবে কাটাতে হবে কত দিন, এই জীবনে কি আসবে না সূখের দিন । এমন কিছু কিছু কথা আছে   অনেকে বলতে পারে না"এমন কিছু কষ্ট আছে অনেকে  সইতে পারে না..আর এমন একটা মনের মানুষ আছে যাকে ভূলতে পারে না এক বিন্দু জল যদি চোখ দিয়ে পড়ে। সেই জলের ফোটা শুধু তার কথা বলে।  শত আঘাতের পরেও তাকেই ভালবেসে যায়! মনে করে যায় । মানুষ জীবনে ৬ বার হেরে যায় যেমন- টাকার কাছে,ভালবাসার কাছে,সময়ের কাছে,বিবেকের কাছে,বন্ধুত্বের কাছে, অবশেষে মরণের কাছে। কাঁদবে কি তখন ! চির নিদ্রায় ঘুমাবো যখন মনে রাখবে কি তখন ! না ফেরার দেশে চলে যাবো যখন ।ডাকবে কি তখন ! তোমার ডাকে সাড়া দিবো না যখন ।

এমন কিছু প্রিয় মানুষ সবার জীবনে থাকে যাকে সে কখনোই ভুলতে পারে না।শত আঘাতের পরে ও তাকেই মনে করে বার বার । কেন মানুষের এমন হয় ! তাহলে এটাই কি সত্যি ভালোবাসা ! প্রকৃতির নিয়মে সব কিছুর ই বদল হয় ঠিকই কিন্তু যাকে আত্মার সাথে গাঁথা হয় তাকে কোনোভাবেই মন থেকে দুরে সরিয়ে রাখা যায় না। হয় তো সময়িক চাপে তাকে এড়িয়ে যায় অনেকেই ।দিনে না হয় রাতে, আজ না হয় কাল , কাল নয় তো পরশু সে প্রিয় মানুষটিকে একবার হলে ও মনে পরে । হয় তো বা সবার আড়ালে কখনো দুচোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে কয়েক ফোটা নোনা জল।

কেউ বা নিজের অজান্তে কিছু সময়ের জন্য র্দীঘশ্বাসে ভারাক্রান্ত করে মনকে । চার অক্ষরের এ শব্দটির দ্বারা কষ্ট পায়নি এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম । তবে প্রতিটি জন্য আলাদা আলাদা ভাব রয়েছে । কেউ তার প্রিয় বাবাকে ভালোবেসে কোনো না কোনোভাবে কষ্ট পান,কেউ তার মাতার জন্য ,কেউ তার ভাইয়ের জন্য ,কেউ তার স্বামীর জন্য ।কেউ তার বোনের জন্য কেউ তার আত্মীয় স্বজনের জন্য (যাকে সে অনেক ভালোবাসে) আবার কেউ তার প্রেমিকার জন্য । এক এক জনের ভালোবাসা কষ্ট এক এক ধরনের । তবুও মানুষ কাউকে না কাউকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলে তার জীবনে ।জীবন চলার পথে তাকেই স্মরণ করে বারবার। তবে ভালোবেসে কষ্ট পাওয়াটা স্বাভাবিক ।

 

রবিউল   জানান , কাউকে খুব বেশি ভালবাসতে নেই । কারন সে যদি বুঝে যায়, যে আপনি তাকে অনেক ভালবাসেন  সে আপনাকে অবহেলা করতে শুরু করবে। কিন্তু সব থেকে বড়  সমস্যা হলো আমরা সেটা পারি না কারন কাউকে ইচ্ছে করে কম,বেশি ভালবাসা যায় না ।

জান্নাতুল মাওয়া রাইসা জানান, নিজের চাইতে কাউকে বেশি ভালবাসতে নেই,আর যদি ভালবেসেই থাকেন এই ভালবাসা একদিন আপনার জীবনে কাল হয়ে দাড়াবে,নিজকে ভলবাসুন নিজেই সুখে থাকুন

শেখ মোঃ সজীব হুসাইন জানান - কখনো কাউকে বেশি ভালবাসতে নেই, বেশি ভালবাসলেই সে কষ্ট দেবে প্রত্যেকের বুকের নিভৃতে কিছু দগ্ধ ক্ষত থাকে লুকানো, কিছু অসম্পূর্ণ নির্মাণ, ভাংগাচোরা গেরস্হালি ঘরদোর,প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু নিদ্রাহীন রাত্রি থাকে যাকে চিরদিন নষ্ট নোখের মতো রেখে দিতে হয় কোমল অনিচ্ছার বাগানে যাকে শুধু লুকিয়ে রাখাতেই সুখ, নিজের নিভৃতে রেখে গোপনে পোড়াতেই একান্ত পাওয়া

ভালোবাসার প্রকারভেদ :

ভালোবাসা বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন: নিস্কাম ভালোবাসা, ধর্মীয় ভালোবাসা, আত্মীয়দের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি।

পবিত্র ভালোবাসা :

কাউকে দুর থেকে ভালবাসাই সব থেকে পবিত্র ভালবাসা | কারন, এ ভালবাসায় কোনো  রকম অপবিত্রতা থাকে না, কোনো শারিরীক চাহিদা থাকে না শুধু নীরব কিছু অভিমান থাকে, যা কখনো কেউ ভাঙায় না | কিছু অশ্রু বিন্দু থাকে যা কেউ কখনো মুছতে আসে না | আর সবার অজান্তে আড়ালে একটা পৃথিবী  যেখানে একজনই রাণি / রাজা । মনের মত করে স্বপ্নের একটা ভুবন তৈরি করা যায় ।

ভালোবাসা কষ্টের নয় :

ভালোবাসা যদি দুই দিক থেকেই সমান হয়, আর সেটি যদি সত্যিকারের ভালোবাসা হয়, তাহলে সেরকম কোনো দুঃখ থাকে না।  তবে কিছু ভুলবোঝাবুঝি হয়ে গেলে দুঃখ পেতে পারেন, তাই উচিত হবে ভুল বোঝাবুঝি হলে তাড়াতাড়ি সেটিকে সমাধান করা।ভালোবাসায় কোনো  কষ্ট নেই। কষ্ট  মূলত, ভালোবাসা সফল না হওয়া।ভালোবাসায় সফল হতে হলে,দুজনের মাঝে আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকতে হয়, একজন আরেকজনকে ছাড় দিতে  হয়, একে অপরকে বিশ্বাস করতে হয়। আর যাদের মাঝে হয়তো এমন কোনো একটার ঘাটতি ছিল বা আছে তাদের কাছে ভালোবাসাটা কষ্টের মনে হয়। কিছু পেতে হলে অবশ্যই কষ্ট করতে হয়। ভালোবাসার মধ্যে যেমন সুখ আছে তেমন কষ্টোও আছে।

কখন ভালেবাসা কষ্টের হয় :

সফলতা আর ব্যার্থতা এদুই এ জীবন। একজনকে ভালবেসে কষ্ট পায়। ভালবাসার মানুষকে বেশি ভালবাসতে গেলে অবহেলা করা শুরু করে । তাই তাকে বেশী ভালবাসতে নেই। বেশি ভালবাসতে গেলে অনেক কষ্ট পেতে হয় ।

আসলে ভালোবাসা টাকা দিয়ে হয় না। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়ে যায়। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসায় যদি ভুল বোঝাবুঝি হয়, তাহলে দুজনকেই কষ্ট পেতে হয়। কেননা, দুজনেই একে অপরকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে বা ভালোবাসতো। হঠাৎ তাদের মধ্যে বিচ্ছেদে প্রচুর কষ্ট পায়। আবার কেউ যদি প্রতারনা করে, তবে একজনকেই কষ্টের মধ্যে নিপতিত হতে হয়।

রেদোয়ান মাসুদ জানান, “পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো এক তরফা ভালবাসা। আর তারচেয়ে বড় কষ্ট হলো আপনি তাকে ভালবাসতেন সে জানত, এখনও ভালবাসেন কিন্তু সে জানে না”।

সত্যিকারের ভালোবাসা কি হারানো উচিত :

জীবনে যদি কাউকে সত্যিই মন থেকে ভালবাসা হয়, তাহলে তাকে হারিয়ে যেতে দেওয়া ঠিক নয়। কারণ সে চোখের জল হয়তো মুছতে পারবে, কিন্তু হৃদয়ের কান্নার জল কোনোভাবেই মুছতে পারবে না। জীবনে কাউকে পাওয়াটা
বড় কথা না। আপনি যাকে পেয়েছেন তাকে জীবনের শেষ পর্যন্ত কাছে পাওয়াটাই বড় কথা ।

সবকিছুর পরও পিছনের সব স্মৃতি দুরে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

 

 



Comments